বিমানবন্দরে চাকরি করে দুই নিরাপত্তারক্ষী কোটি কোটি টাকা সম্পদের মালিক !

ভিডিওটি দেখেছেন কি?

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা গ্রামের চাচা-ভাতিজা ঢাকা হযরত শাহ জালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিরাপত্তা রক্ষীর চাকরি করে কয়েক বছরের ব্যবধানে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।
যা রূপকথার আলাউদ্দিনের আশ্চর্য প্রদীপের কল্প কাহিনীকেও হার মানিয়েছে। বিমান বন্দরকেন্দ্রীক চোরাচালানী চক্র অথবা অন্য কোন অবৈধ কাজে তাদের যোগসাজস থাকতে পারে বলে স্থানীয় অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়নের নাগডেমরা গ্রামের রফিকুল ও আলমগীর সম্পর্কে আপন চাচা-ভাতিজা। তারা দু’জন হযরত শাহ জালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি করেন। সামান্য বেতনের চাকরি করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, চলতি বছরে রফিকুল ও আলমগীর ৩১ লাখ টাকার জমি কিনেছে। এভাবে তারা গত ৪-৫ বছরে নাগডেমরা, রুপশী, ডেমরাসহ কয়েকটি মৌজায় আরো প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার জমি কিনেছে। সেলন্দা, ধুলাউড়ি ও ডেমরা ইউনিয়ন তহশীল অফিসে খোঁজ নিলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া তাদের নামে ঢাকায় বাড়ী ও পাবনা শহরে জায়গা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি সরেজমিন অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শুধুমাত্র বিমান বন্দরে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি করে এতো বিপুল অর্থ ও ভূসম্পত্তির মালিক হওয়া সম্ভব নয়। হয়তোবা তারা বিমান বন্দরকেন্দ্রীক চোরাচালানী চক্রের সাথে অথবা অন্য কোন অবৈধ কাজের সাথে জড়িত থেকে প্রচুর টাকা আয় করছে।

আলমগীরের এক নিকট আত্মীয় জানান, তারা চোরাচালানী চক্রের সাথে জড়িত নয়, তবে গলাকাটা পাসপোর্টে বিদেশে লোক পাঠায়।

এ ব্যাপারে রফিকুল ও আলমগীরের সাথে ফোনে অনেক বার যোগাযোগ করলেও তারা ফোন ধরেনি। এ ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সরেজমিন তদন্ত করলেই বিপুল অর্থ আয়ে প্রকৃত উৎস বেড়িয়ে আসবে।

Loading...
Loading...